Breaking News

নেট্রাম মিউর

নেট্রাম মিউরিয়েটিকাম (NATRUM MURIATICUM) বা নেট্রাম মিউর

নেট্রাম মিউর এর অপর নাম –  সডিয়াম ক্লোরাইড (Sodium Chloride)

সাধারণ লবণ (NaCl)

নেট্রাম মিউর সাধারণ লবণের বিচুর্থ বা জলীয় দ্রকণ থেকে প্রস্তুত হয়।

 

নেট্রাম মিউর এর –মূলকথা :-

১। বিমর্ষ, হতাশ; সামান্য কারণে কেঁদে ফেলে , রোগীকে সান্ত্বনা দিলে রোগীর দুঃখ উথলে উঠে , কাঁদা ও বিষণ্ণতা বৃদ্ধি পায়।

২। মাথা ব্যথার সহিত চোখ দিয়ে পানি পরে, পড়ার সময় বা চোঘের সূক্ষ্ম কাজ করলে মাথা ব্যথা ও চোখের লক্ষণ বৃদ্ধি।

৩। হাঁসি দিলে চোখ দিয়ে অশ্রুপাত হয়।

৪। লবণ ও লবণাক্ত খাদ্যে আগ্রহ, রুটি তেল ঘিতে অনিহা।

৫। সর্দি প্রবণ, একটু ঠান্ডা বাতাস লাগলে ‍সর্দি লাগে।

৬। অতিশয় শীর্ণতা, শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে ঘাড়েই এই শীর্ণতা বেশী প্রকাশ পায়।

৭। জিহ্বা লাল, তাতে ম্যাপের ন্যায় চক্রাকারে দাগ।

৮। ফেটে যাওয়ার মত বেদনাযুক্ত নিরুপীড়া, ঋতুকালে শিরঃপীড়া সহ রক্তশূন্যতা, স্কুলের ছাত্রীদের শিরঃপীড়া।

৯। ওষ্ঠ থেকে মলদ্বার পর্যন্তু সমর্থ শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর অতিশয় শুষ্কতা; মলদ্বার শুষ্ক তাই কোষ্ঠবদ্ধতা।

১০ । হৃৎপিণ্ড কাপে, ঝটপট করে , থেমে থেমে চলে বা . হৃৎস্পন্দনের অনিয়মিততা, হৃৎপিণ্ড এমন জোরে দপদপ করে যে উহাতে রোগীর সমস্ত শরীর কাঁপে, ব পাশে শুলে কষ্ট বাড়ে।

১১। শুষ্ক বা আর্দ্র চুলকানিযুক্ত উদ্ভেদ, চুলের ধারে ধারে ও গোড়ায় উহার বৃদ্ধি।

১২। চোর ডাকাতের স্বপ্ন দেখে, জাগ্রত হয়ে বাড়ি তল্লাসি করে।

১৩। নখ শূল, নখকুণি হওয়ার প্রবণতা, নখের চারদিকের চামড়া ফাটা, শুষ্ক ও খশখশে।

১৪। উপশম – অধিকাংশ রোগই সকাল ১০টা থেকে ১১টা পৰ্য্যন্ত বাড়ে (বিশেষত ম্যালেরিয়া জ্বর) । ঘর্ম হলে উপশম।

১৫। বৃদ্ধি- শয়নে, বিশেষতঃ বাঁ পাশে শুলে বৃদ্ধি, সূর্যের উত্তাপে ও সাধারণ উত্তাপে বৃদ্ধি। কুইনাইনের অপব্যবহারে বৃদ্ধি।

 

নেট্রাম মিউর এর বিশেষ লক্ষণ :

মন – মানসিক কারনে রোগের উদ্ভব; দুঃখ, ভয়, ক্রোধ প্রভৃতির কুফল সমূহ । বিষাদগ্রস্ত, বিশেষ করে পুরাতন রোগের ক্ষেত্রে ।
সান্তনা দিলে বৃদ্ধি । খিটখিটে; সামান্য কারনে রেগে যায় । সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। একা থেকে কাঁদার ইচ্ছা করে । হাসির সঙ্গে চোখ দিয়ে জল পড়ে।

মাথা – মাথার ভিতর দপদপ করে । অন্ধ করে দেবার ন্যায় তীব্র মাথার বেদনা । যেন মনে হয় মাথার ভিতরে এক হাজার ছোট ছোট হাতুড়ি দিয়ে মারা হচ্ছে ।

সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠার পরে, মাসিক ঋতুস্রাবের পরে, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মাথার বেদনা । মাথাটি অতিরিক্ত বড়ো হয়ে গেছে এই জাতীয় অনুভূতি হয় ।
রক্তাল্পতা জনিত কারণে স্কুলে পড়া বালিকাদের মাথার যন্ত্রণা; স্নায়বিক, উৎসাহহীন, স্বাস্থ্য দুর্বল ।
পুরাতন মাথার যন্ত্রণা, আংশিকভাবে মাথার একপাশের বেদনা, রক্তাধিক্যজনিত কারণে, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত, তৎসহ মুখমন্ডল ফ্যাকাশে, বমিবমিভাব, বমি।
নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাথার বেদনা, চোখের পরিশ্রমের থেকে মাথার বেদনা বিপর্যস্ত।
ঋতুস্রাব, ঠেটি দুটি, জিহ্বা ও নাকের অবসাদ ও সুড়সুড়ি । নিদ্রায় উপশম । কপালের অস্থিগহ্বরের প্রদাহ ।

চোখ – থেঁৎলিয়ে যাবার মত অনুভূতি, তৎসহ স্কুলে পড়া শিশুদের মাথার বেদনা। চোখের পাতাদুটিতে ভারবোধ । পেশী সমূহের দুর্বলতা ও আড়ষ্টতা ।

অক্ষরগুলি পড়ার সময় একটির উপর আর একটি গিয়ে পড়ে । চোখের সামনে আগুনের ফুলকি দেখে । যাবতীয় দৃষ্টবস্তুর সামনে আঁকাবাঁকা আগুনের রেখা সমূহ দেখা যায় ।
চোখ গুলির ভিতর জ্বালাকর অনুভূতি । পড়ার সময় অথবা লেখার সময় দৃষ্টিশক্তিলোপ পায় ।
অশ্রুস্রাবী নলীর সংকীর্ণতা তৎসহ পুঁজোৎপাদন । থলির উপরে চাপদিলে শ্লেয়াযুক্ত পুঁজের নির্গমণ । অশ্রুস্রাব, জ্বালাকর ও হাজাকর ।

চোখের পাতাগুলির স্ফীতি । চোখদুটি চোখের জল ভিজে থাকে । কাশির সময় চোখের জল মুখমন্ডলের উপর দিয়ে গড়িয়ে পড়ে।
বেদনাদায়ক শচীণ দৃষ্টি, এর কারণ হল চোখের ভিতরের পেশীসমূহের স্বল্পতা (জেলসিমিয়াম ও কিউম এসেটিকামের ক্ষেত্রে চোখের বাহ্যিক পেশী সমৃহের স্বল্পতা) ।
নীচের দিকে তাকাবার সময় চোখের বেদনা । ছানির প্রথমাবস্থা( সিকেল) ।

কান – কানের ভিতরে শব্দসমূহ, গর্জন ও ঘন্টাধবনি ।

নাক — প্রচুর, পাতলা সর্দি, যা এক থেকে তিনদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়, এর পরে নাকবন্ধ হয়ে যায়, ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় । স্রাব পাতলা এবং জলের মত, দেখতে ডিমের সাদা অংশের মত । তীব্র হাঁচি, সর্দি ।
যেক্ষেত্রে হাঁচিতে হাঁচিতে সর্দি শুরু হয়, সেই ক্ষেত্রে এটি একটি মহৌষধ । ৩০ শক্তি প্রযোজ্য । গন্ধ ও আস্বাদ শক্তির লোপ । নাকের ভিতরে টাটানি ব্যথা । শুষ্কতা ।

মুখমন্ডল — তেলের মত, চর্চকে । যেন চর্বি মাখিয়ে রাখার মত । মাটির মত ফ্যাকাশে । জ্বর ঠুঁটো ।

মুখগহ্বর – জিহ্বার উপর সাদা ফেনাযুক্ত লেপ, তৎসহ কিনারায় বুদ থাকে । শুদ্ধতার অনুভূতি । স্কার্ভি রোগের মত মাঢ়ী । জিহ্বা, ঠোট দুটি ও নাকের অবসাদ ও সুড়সুড় কর অনুভূতি ।
ফোস্কাসমূহ ও জিহ্বার উপর জ্বালা, মনে হয় যেন জিহ্বার উপর একটি চুল রয়েছে । মুখগহ্বরের চারিপাশে উদ্ভেদ সমূহ এবং ঠোট গুলির উপর মুক্তোর মত দেখতে ফোস্কাসমূহ ।
ঠোঁট দুটি ও মুখগহ্বরের কোনগুলি শুষ্ক, ক্ষতযুক্ত, এবং ফাটা । নীচের ঠোঁটের মাঝের অংশে গভীর ফাটা ।
জিহ্বা মানচিত্রের মত( আর্সেনিক; রাসটক্স, ট্যারাক্স) ।
আস্বাদের লেপ । নীচের ঠোঁটেবড়ো ফোস্কা, স্ফীত এবং জ্বালাকরে । অস্বাভাবিক তৃষ্ণা ।

পাকস্থলী – ক্ষুধার্ত এবং ক্ষুধা থাকা সত্ত্বেও শরীরের মাংস ক্ষয় হয়( আয়োডিয়াম) ।
গলা বুক জ্বালা, তৎসহ হৃদকম্প । প্রচুর পিপাসা ।
আহারের সময় ঘাম । লবন খাবার অদম্য ইচ্ছা । রুটিতে বিতৃষ্ণা, যেকোন প্রকার পিচ্ছিল খাদ্য বস্তু যেমন শামুক চর্বি জাতীয় খাদ্যে অনিচ্ছা ।
পাকস্থলীর উপরের অংশে দপদপানি । পাকস্থলীর উপরের অংশে যে স্থানে অন্ননলী পাকস্থলীতে, প্রবেশ করে সেই অংশে খোঁচা মারার মত বেদনা ।

উদর – পেটে কেটে ফেলার মত বেদনা । উদর স্ফীত । কাশির সময় পেটের চারিপাশে বেদনা ।

সরলান্ত্র – জ্বালাকর বেদনা এবং মলত্যাগের পরে সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা মলদ্বার সঙ্কুচিত, ছিড়ে যায়, রক্তস্রাব যুক্ত ।
কোষ্ঠকাঠিণ্য; মল শুষ্ক, ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে খসে পড়ে( এমোনিয়াম মিউর, ম্যাগ্নেসিয়াম মিউর) । বেদনাহীণ ও প্রচুর উদরাময়, মলত্যাগের পূর্বে পেটে চিমটি কাটার মত বেদনা ।

প্রস্রাব — প্রস্রাবের ঠিক পরেই বেদনা( সার্সপেরিলা) । প্রস্রাব পরিমানে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত, চলাফেরার সময়, কাশি প্রভৃতি সময়ে অসাড়ে প্রস্রাব । অন্য লোকের উপস্থিতিতে প্রস্রাব করার সময় বহু সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়( হিপার; মিউরিয়্যাটিক অ্যাসিড) ।

পুরুষের রোগ – বীর্যপাত, এমনকি সঙ্গমের পরেও । ধবজভঙ্গ তৎসহ বাধাপ্রাপ্ত শুক্রস্থলন ।

স্ত্রীরোগ- মাসিক ঋতুস্রাব অনিয়মিত; সাধারণতঃ পরিমানে প্রচুর স্রাব হয় । যোনিনলী শুষ্ক । প্রদরস্রাব হাজাকর; জলের মত । নীচের দিকে কিছু ঠেলে বেরিয়ে আসার মত বেদনা; সকালে বৃদ্ধি( সিপিয়া) ।
জরায়ুর স্থানচ্যুতি, তৎসহ প্রস্রাব নলীতে কেটে ফেলার মত বেদনা । নিষ্ফল প্রসব বেদনা ।
বাধাপ্রাপ্ত ঋতুস্রাব( এর পরে ক্যালকার্ব দেওয়া যায়) । ঋতুকালে উত্তাপের অনুভূতি ।

শ্বাস- প্রশ্বাস যন্ত্রসমূহ – পাকস্থলীর উপরের অংশে সুড়সুড় কর অনুভূতি থেকে কাশির শুরু হয়, তৎসহ যকৃতে সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা এবং হঠাৎ করে প্রস্রাবের বেগ উপস্থিত হয়( কষ্টিকাম, স্কুইলা) ।
সমগ্র বুকে সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা । কাশি, তৎসহ মাথার ভিতরে ফেটে যাবার মত বেদনা ।

ছোট- ছোট শ্বাস- প্রশ্বাস, বিশেষ করে উপরের দিকে উঠার সময়ে(ক্যাল্কেরিয়া কার্ব) । হুপিং কাশি, তৎসহ চোখ দিয়ে জল পড়ে তৎসহ কাশি ।

হৃদপিন্ড – হৃদপিন্ডের অস্বাভাবিক দ্রুত স্পন্দন । হৃদপিন্ডে শীতলতার অনুভূতি । হৃদপিন্ড ও বক্ষ গহ্বরের ভিতরে সঙ্কোচনের অনুভূতি ।
হৃদপিন্ডের ভিতরে ধড়ফড় করে, হৃদ্ধম্প; সবিরাম নাড়ী । হৃদ্স্পন্দন শরীরে অনুভূতি হয় । শুয়ে পড়লে সবিরাম স্পন্দন ।

অঙ্গ- প্রত্যঙ্গ — পিঠের বেদনা, তৎসহ পিঠশক্ত কিছুতে ঠেস দিয়ে রাখার ইচ্ছা( রাসটক্স; সিপিয়া)! প্রতিবার নড়াচড়ার সময় রক্ত সংবহনের গতি বেড়ে যায় ।

হাতের তালু গরম ও ঘামে । বাহুদ্বয় ও পাদুটি বিশেষ করে হাঁটু দুটিতে দুর্বলতার অনুভূতি । নখকুনি । হাতের আঙ্গুলের নখের চারিপাশ শুষ্ক ও ভঙ্গুর । হাতের আঙ্গুলগুলি ও নিম্নাঙ্গের অসাড়তা ও সুড়সুড়ি ।

গোড়ালি দুটি দুর্বল সহজেই বেঁধে যায় । হ্যামষ্ট্রিং পেশীর বেদনা পূর্ণ সঙ্কোচন( কষ্টিকাম) । চলাফেরার সময় সন্ধিস্থানে কটকট শব্দ হয় পা দুটি শীতলতা তৎসহ মাথা, বুকে ও পাকস্থলীতে রক্তাধিক্য ।

ঘুম — দুপুরের আগে ঝিমুনি । ঘুমের মধ্যে অঙ্গ- প্রত্যঙ্গের স্নায়বিক ঝাঁকুনি । ডাকাতের স্বপ্ন । মন কষ্ট থেকে নিদ্রাহীণতা ।

চামড়া — চর্বির মত, তেলের মত, বিশেষ করে শরীরের চুলযুক্ত অংশ । শুষ্ক উদ্ভেদসমূহ, বিশেষ করে মাথার চামড়ার চুলযুক্ত কিনারায় এবং সন্ধিস্থানের ভাঁজ হওয়া অংশে । জ্বর ঠুটো, সমূহ, আমবাত, চুলকায় ও জ্বালা করে ।

অঙ্গ- প্রত্যঙ্গের ভাঁজে ভাঁজে, মাথার চামড়ার কিনারায়, কানের পিছনে মামড়ীযুক্ত উদ্ভেদ সমূহ( কষ্টিকাম) । হাতের তালুতে আঁচিল সমূহ ।

একজিমা; লালচে ও প্রদাহিত; লবন খেলে, এবং সমুদ্রের ধারে বাস করলে বৃদ্ধি । চুলের গোড়াগুলি আক্রান্ত হয় । মাথায় টাক পড়ে । আমবাত । পরিশ্রমের পরে চুলকায় । চামড়া দেখতে চর্বি দিয়ে ঘসে দেওয়ার মত ।

জ্বর — সকাল ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে শীতভাগ । উত্তাপ; প্রচন্ড পিপাসা, জ্বরের সঙ্গে পিপাসা বৃদ্ধি পায় । জ্বর- ঠুঁটো ।

শরীরের শীতলতা এবং অবিরাম শীতবোধ সুস্পষ্টভাবে থাকে । পুরাতন ম্যালেরিয়া রোগে জলের মত পাতলা রক্ত তৎসহ দুর্বলতা, কোষ্ঠকাঠিণ্য, অক্ষুধা, প্রভৃতি লক্ষণ বর্তমান থাকে । যে কোন প্রকার পরিশ্রমে ঘাম হয় ।

বৃদ্ধি- শব্দে, সঙ্গীতে, উষ্ণ ঘরে, শুয়ে পড়লে প্রায় সকাল ১০টায়; সমুদ্রতীরে, মানসিক পরিশ্রমে, সান্ত্বনায়, গরমে, কথা বলায় ।

উপশম — মুক্ত বাতাসে, ঠান্ডা জলে স্নানে, নিয়মিতভাবে আহার না করে, ডানদিক চেপে শুলে; পিঠে চাপ দিলে; জমা কাপড় কষে বাঁধলে ।

সম্বন্ধ – পরিপূরক- এপিস; সিপিয়া; ইগ্নেসিয়া ।

তুলনীয় — নেট্রাম সেলিনিকাম —( কণ্ঠনালীর ক্ষয়রোগ তৎসহ রক্তযুক্ত শ্লেষ্মাদলা উঠে এবং সামান্য স্বরভঙ্গ);

নেট্রাম সিলিকাম – হিমোফিলিয়া; গন্ডমালাদোষযুক্ত অস্থির উপসর্গসমূহ; বার্ধক্যজনিত চুলকানিতে, শিরার ভিতরে প্রতি তিনদিন অন্তর ইঞ্জেকশন করা হয়) ।

ইগ্নেসিয়া; সিপিয়া; থুজা; গ্রাফাইটিস; এলুমিনা ।

দোষঘ্ন – আর্সেনিক; ফসফরাস;

শক্তি — ১২ থেকে ৩০ শক্তি এবং উচ্চতর শক্তি । অতি উচ্চতর শক্তিতে অনেক সময় খুবভালো কাজ করে, এবং নেট্রাম মিউর ঔষধটি দীর্ঘসময় পর পর ব্যবহার করা প্রয়োজন ।

বিঃ দ্রঃ  হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জন্য  হোমিও চিকিৎসকের নির্দেশ মতো ঔষধ সেবন করুন।

( হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বই মেটেরিয়া মেডিকা হতে প্রকাশিত )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-7254298778630529"
     crossorigin="anonymous"></script>